Recent Post

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

শাস্ত্রবাক্য মূলত কী শিক্ষা দেয় ?

     শাস্ত্রবাক্য মূলত শিক্ষা দেয় , ঈশ্বর সম্পর্কে মানুষকে কী বিশ্বাস করতে হবে , এবং মানুষের কাছ থেকে ঈশ্বর কোন কর্তব্য প্রত্যাশা করেন । 

১. শিষ্যদের সামনে যীশু ঐশী শক্তির ( চিহ্ন কাৰ্য ) আরও অনেক নিদর্শন দেখালেন । সেসব এ গ্রন্থে লিপিবদ্ধ হয়নি । কিন্তু এইগুলি লিপিবদ্ধ হয়েছে যাতে তােমরা বিশ্বাস করতে পারাে যে , যীশুই খ্রীস্ট , ঈশ্বরের পুত্র এবং এই বিশ্বাসের মাধ্যমে তাঁর নামের সাহায্যে তােমরা জীবন লাভ কর ( যােহন ২০ : ৩০-৩১ ) । 

২. হে মানব , যা ভালাে তা তিনি তােমাকে জানিয়েছেন ; সেইজন্য ন্যায্য আচরণ , অবিচল নিষ্ঠা ও নম্রভাবে তােমার ঈশ্বরের সঙ্গে গমনাগমন , এ ব্যাতিরেকে সদাপ্রভু তােমার কাছে আর কীসের অনুসন্ধান করেন ? ( মীখা ৬ : ৮ ) ।


অনেক কিছুই আছে , যা আমরা বাইবেল থেকে শিখতে পারি না । ( ১ ) উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে , বাইবেল আমাদের সামনে মানবজাতির সম্পূর্ণ ইতিহাস মেলে ধরে না । বাইবেল এজন্য প্রদত্ত হয়নি । তাই ইতিহাসের মধ্যে এমন বহু বিষয় আছে , যা আমরা শুধু অন্যান্য উৎস থেকে জানতে পারি । ( ২ ) ঈশ্বরের বাক্য বিভিন্ন বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে আমাদের প্রয়ােজনীয় প্রায়ােগিক তথ্য দিতে পারে না । শাস্ত্রবাক্যের মধ্যে রসায়নের কোন ফর্মুলা বা বৈদ্যুতিনের কোনাে নীতির সন্ধান আমরা পাই না । ( ৩ ) বস্তুত , যীশু খ্রীস্ট সম্পর্কে আমরা যেসব তথ্য পেতে চাই , শাস্ত্রবাক্য ( বাইবেল ) আমাদের তার সবকিছু আমাদের জানায় না । তাঁর বাল্যকাল , শিক্ষাদীক্ষা , বা গার্হস্থ্য জীবন সম্পর্কে আমরা খুব বেশি জানি না । তাঁর দৈহিক আকৃতি সম্পর্কে আমরা আদৌ কিছু জানি না । বাইবেল আমাদের শিক্ষা দেয় না । এই রকম আরও উদাহরণ উল্লেখ করা যেতে পারে । কারণ সবকিছু শিক্ষা দেবার জন্য আমাদের কাছে বাইবেল প্রদত্ত হয়নি ।        “ ঈশ্বর সম্পর্কে মানুষকে কী বিশ্বাস করতে হবে এবং মানুষের কাছ থেকে ঈশ্বর কোন্ কর্তব্য প্রত্যাশা করেন ” – এই বিষয়ে শিক্ষা দেবার জন্য বাইবেল দেওয়া হয়েছে ।

সকল প্রকৃত জ্ঞানের অপরিহার্য উপাদান 

তবু , আমাদের গুরুত্বের সঙ্গে মনে রাখতে হবে যে , সবকিছু সম্পর্কেই বাইবেলের কিছু বক্তব্য আছে । এবং বাইবেলের এমন কিছু বলার আছে , যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । প্রকৃতপক্ষে , এ এমনই গুরুত্বপূর্ণ যে , বাইবেল বলে , এমন বিষয় বাদ দিয়ে কোনােকিছু সম্পর্কেই আমাদের প্রকৃত উপলব্ধি ঘটে না । উদাহরণ দিতে দিন । 


চিত্ররূপ ৩.১ - এ আমরা একজন মানুষের চিত্র পেয়েছি । সে ঈশ্বরকে বাদ দিয়েই জগৎকে ( এবং নিজেকে ) জানার চেষ্টা করছে । এ যেন এক আধুনিক বিজ্ঞানীর মতাে যিনি “ বিশ্বাস" করেন যে , বিবর্তনের ফলে জগৎ আপনা আপনিই গড়ে উঠেছে । অন্যভাবে বলা যায় , “প্রকৃতির" গােপনরহস্য অধ্যয়নের এবং অনুসন্ধানের শুরুতেই তিনি ঈশ্বরকে সম্পূর্ণভাবে দূরে সরিয়ে রাখেন । যারা ইতিহাস , ভূগােল বা অন্য কোন বিষয় পাঠ করে , তাদের প্রতিও একইভাবে প্রযুক্ত হবে । কিন্তু বাইবেল সুস্পষ্টভাবে শিক্ষা দেয় যে , বিশ্বের সবকিছুই সৃষ্টি হয়েছে । সবকিছুই ঈশ্বরের সঙ্গে সম্পর্কিত , এবং ঈশ্বরের সঙ্গে এই সম্পর্কই সবকিছুর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । এই সম্পর্ক উপলব্ধি করতে না - পারলে , এমনকী “ মহত্তম বিজ্ঞানীও" প্রকৃতপক্ষে সত্যকে আদৌ উপলব্ধি করতে পারেন না । অন্য ভাষায় বলা যায় , প্রকৃত ঈশ্বরের উপলব্ধি ছাড়াই মানুষ যখন তাদের চিন্তাভাবনা শুরু করে , তখন তারা অন্ধকারের মধ্যে কালক্ষেপ করে । তারা অন্ধকারে থাকার কারণে , তারা জগতে যে আলাে রয়েছে , তা দেখতে পায় না । চিত্ররূপ ৩.২ - এ আমরা একজন লােকের ছবি দেখতে পাচ্ছি , যে আলাে দেখতে পেয়েছে । বাইবেলই তাকে এই আলাে দান করেছে ( কারণ সে যেন ঈশ্বরের বাক্য গ্রহণ ও বিশ্বাস করতে পারে , এ জন্য পবিত্র আত্মা তার হৃদয়কে নতুনভাবে তৈরি করেছেন ) । কিন্তু লক্ষ করুন , আমরা এখানে দুটি বিষয় দেখতে পাচ্ছি । প্রথমত , আমরা দেখতে পাই , কীভাবে বাইবেলের জ্ঞান ( পবিত্র আত্মা প্রদত্ত ) এই লােকটিকে সত্য ও জীবিত ঈশ্বরকে বিশ্বাস করতে সামর্থ্য দান করেছে । দ্বিতীয়ত , আমরা দেখতে পাচ্ছি , কেমনভাবে সে জগতে তার অবস্থানকে বুঝতে পেরেছে । সে বুঝতে পারে যে , এ তার পিতার জগৎ এবং এ জগতে সে যা কিছুই করে , তাকে সর্বদা ঈশ্বরের মহিমা অন্বেষণ করতে হবে । এই লােকটি যদি বিজ্ঞানী হন , তিনি ঈশ্বরের বিস্ময়কর সৃষ্টি সম্পর্কে আরও বেশি জানার জন্য বিভিন্ন বিষয় অধ্যয়ন করবেন । যদি তিনি ঐতিহাসিক হন , ঈশ্বরের অনাবৃত উদ্দেশ্যকে জানার জন্য মানবজাতির ইতিহাস অধ্যয়ন করবেন । আর এটা সকল ক্ষেত্রে একই নিয়ম । একমাত্র বিশ্বাসের দ্বারা ( ঈশ্বর সম্পর্কে মানুষকে যা বিশ্বাস করতে হবে ) আমরা সততার সঙ্গে চলতে পারি (মানুষের কাছ থেকে ঈশ্বর যে - কর্তব্য প্রত্যাশা করেন )।

বিশ্বাস এবং কর্তব্য 

           এই মুহূর্তে আমাদের কয়েকটি বিষয় লক্ষ করা প্রয়ােজন । ( ১ ) প্রথম , আমাদের লক্ষ করা দরকার , আমাদের কী বিশ্বাস করতে হবে , প্রশ্নোত্তর তার উপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব আরােপ করেছে । এ গুরুত্বপূর্ণ । বর্তমানে সাধারণভাবে বলা হয় যে , একজন লােক যা বিশ্বাস করে তা সত্যিসত্যিই তত গুরুত্বপূর্ণ নয় । কেউ কেউ বলেন , “ প্রত্যেকেরই তার ইচ্ছা মতাে বিশ্বাস করার অধিকার আছে । ” অন্যরা বলেন , “ মানুষ যতক্ষণ পর্যন্ত আন্তরিক এবং নম্র , ততক্ষণই সে যা বিশ্বাস করে , তা গ্রহণ করা যায় । ”


অবশ্য , এ কথা সত্য যে , কোনাে ব্যক্তি যা বিশ্বাস করতে চায় , অন্য কেউ তা জোর করে বিশ্বাস করাবে না । কিন্তু একথা সত্য নয় যে , মানুষের বিশ্বাসের দ্বারা কোনাে পার্থক্য সূচিত হয় না! কারণ “ খ্রীস্টের শিক্ষায় অবিচল না থেকে যে তা লঙ্ঘন করে , সে ঈশ্বরকে পায়নি ” ( ২ যােহন ৯ ) । কূয়ার ধারের নারীকে যীশু বলেছিলেন , “ তােমরা ... যাকে উপাসনা কর , তাঁকে জান না । কিন্তু আমরা যাকে উপাসনা করি , তাঁকে জানি ।... তাঁর উপাসনা যারা করবে , আত্মায় ও সত্যেই তাদের উপাসনা করতে হবে ( যােহন ৪:২২ , ২৪ ) । কেউ যখন কল্পনা করে যে , ভ্রান্ত বিশ্বাস নিয়েও সে সঠিক জীবনযাপন করতে পারে , তার মতাে ভয়ঙ্কর আর কোনাে কিছুই হতে পারে না। "ভালাে গাছ থেকে খারাপ ফল হতেই পারে না , আর খারাপ গাছ ভালাে ফল দিতেই পারে । ” ( মথি ৭:১৮ ) । এই কারণেই প্রশ্নোত্তরে “ ঈশ্বর সম্পর্কে মানুষকে কী বিশ্বাস করতে হবে ” কথাগুলি প্রথমেই স্থান দেওয়া হয়েছে । ( ২ ) দ্বিতীয়ত , আমাদের লক্ষ করা দরকার , কোনাে মানুষের যখন প্রকৃত সত্য বিশ্বাস থাকে ( ঈশ্বর তাকে যা বিশ্বাস করতে আজ্ঞা করেন , যদি সে তা সত্যিসত্যিই বিশ্বাস করে ) , তাকে তখন ঈশ্বরের আজ্ঞাও পালন করতে হবে । অন্যভাবে বলা যেতে পারে , যথার্থ অনুশীলন না থাকলে প্রকৃত বিশ্বাস বলে কিছুই থাকতে পারে না । যাকোব বলেন , “ কেউ যদি বলে যে তার বিশ্বাস আছে , কিন্তু তার কর্মে যদি তা প্রকাশ না পায় , তা হলে কী লাভ ? সেই বিশ্বাস কি তাকে উদ্ধার করতে পারে ? ” ( ২:১৪ ) না , যাকোব বলেন , “ বিশ্বাস যদি কর্মে রূপায়িত না হয় , তবে তা নিরর্থক । ... আত্মা - বিহীন দেহ যেমন মৃত , কর্মবিহীন বিশ্বাসও তেমনই মৃত" ( ২:১৭ , ২৬ ) । তা হলে , আমরা দেখতে পাচ্ছি , 'প্রশ্নোত্তর ’ যদি “ ঈশ্বর সম্পর্কে মানুষকে কী বিশ্বাস করতে হবে" এবং "মানুষের কাছ থেকে ঈশ্বর কোন কর্তব্য প্রত্যাশা করেন ” – এই দুটিতেই গুরুত্ব আরােপ না করত , তা হলে আমরা খ্রীস্টীয় জীবনের একটা প্রকৃত চিত্র পেতাম না। আমাদের মধ্যে মৃত গোঁড়ামির মতাে বিষয় আছে । এর অর্থ , লােকে বাইবেলের প্রকৃত মতবাদ ( Doctrins ) ঘােষণা করে । তাঁরা এই মতবাদগুলি এমনভাবে হৃদয়ঙ্গম করেন যে সেগুলি আলােচনা করতে সক্ষম হন বা সেগুলি সম্পর্কে যুক্তি খাড়া করেন । কিন্তু ঈশ্বর যেভাবে চান , তাঁরা সেভাবে জীবনযাপন করেন না । এটা কত বড়াে ত্রুটি , তা আমাদের দেখতেই হবে এবং আমরা অবশ্যই দেখব যে , 'প্রশ্নোত্তর ’ বিশ্বাসকে শুধু অগ্রাধিকারই দেয়নি , আমাদের শিক্ষা দিতেও চেয়েছে যে , যদি যথার্থ অনুশীলনের পথে চালিত না - করে , তা হলে এই বিশ্বাস খাটি উদ্ধারকারী বিশ্বাস নয় !

বিধান ( Law ) কেন পরে আলােচিত হয় 

আর একটি বিষয় আমাদের উল্লেখ করা প্রয়ােজন । বাইবেল বিধান ( দশ আজ্ঞা ) সম্পর্কে বলে , “ বিধান আমাদের পথ দেখিয়ে খ্রীস্টের কাছে নিয়ে এসেছে যেন আমরা বিশ্বাসের বলে ধার্মিক গণিত হই ” ( গালাতীয় ৩:২৪ ) । এর অর্থ , কোনাে মানুষ যদি প্রথমেই তার নিজের প্রয়ােজন উপলব্ধি করতে না - পারে , তাহলে সে তার পরিত্রাতারূপে খ্রীস্টের মাধ্যমে প্রকৃত বিশ্বাসে উপনীত হতে পারে না । অথবা , অন্যভাবে বলা যায় , একমাত্র বিধানের দ্বারাই পাপী মানুষ জানতে পারে যে , সে পাপী । "কারণ বিধান শুধু পাপবােধ জাগাতে পারে ” ( রােমীয় ৩:২০ ) । সুতরাং একটি প্রশ্ন উত্থাপন করা যেতে পারে , “ প্রশ্নোত্তর ’ কেন প্রথমেই বিধান সম্পর্কে এবং পরে , আমাদের পরিত্রাণের জন্য প্রয়ােজনীয় খ্রীস্টাশ্রিত বিশ্বাস সম্পর্কে আলােচনা করেনি ? ” এই প্রশ্নের উত্তরে আমরা বলতে পারি , ( ১ ) 'প্রশ্নোত্তর ’ যদি প্রথমে বিধান এবং পরে বিশ্বাস সম্পর্কে আলােচনা করে , কোন ভুল হবে না । স্বয়ং ঈশ্বর পরিত্রাতাকে দেবার পূর্বে বিধান দিয়েছিলেন । ( ২ ) 'প্রশ্নোত্তরে' প্রথমেই বিধান সম্পর্কে আলােচনা না করার যথেষ্ট কারণ আছে । এই কারণগুলি কী ? ( ক ) প্রথম বিধান এবং খ্রীস্টকে দ্বিতীয় স্থান দিলে , এই ধারণা সৃষ্টি হবার যথেষ্ট সম্ভাবনা ছিল যে , বিধানের চেয়ে খ্রীস্টের গুরুত্ব কম । এ খুবই খারাপ হত । কারণ খ্রীস্ট যে - কোন কিছুর চেয়ে মহান । ( খ ) দ্বিতীয়ত , অসতর্ক পাঠক কল্পনা করতে পারত যে , বিধানের আজ্ঞা অনুযায়ী আমাদের কর্মের মাধ্যমে পরিত্রাণ আসে , এমন সম্ভাবনা আছে । কেউ কেউ বলতে পারে , “ প্রথমে তুমি বিধান পালন কর , এবং তখন খ্রীস্ট তােমাকে গ্রহণ করবেন" । এই চিন্তাধারা হত সম্পূর্ণ ভ্রান্ত । কারণ বাইবেল বলে , কোন মানুষ কখনই বিধান পালনের দ্বারা ( কারণে ) পরিত্রাণ পেতে পারে না । প্রকৃতপক্ষে , কেউই ( যীশু ব্যতীত ) কখনও ঈশ্বর যেভাবে চান , সেভাবে বিধান পালন করেনি । ( গ ) তৃতীয়ত , প্রথমে বিধান , পরে খ্রীস্টের মাধ্যমে বিশ্বাসকে দ্বিতীয় স্থান দিলে , এই ধারণা সৃষ্টি হবার সম্ভাবনা ছিল যে , খ্রীস্টকে বিশ্বাস করার পর আমাদের ঐশ্বরিক বিধানের ( Law ) প্রয়ােজন নেই । কেউ কেউ বলতে পারে , “ এখন আমি খ্রীস্টের কাছে এসেছি , কেমনভাবে জীবনযাপন করতে হবে , তা বলার জন্য আমার বিধানের প্রয়ােজন নেই । ” এ আবার সম্পূর্ণ ভুল হত । কারণ খ্রীস্টকে আমাদের পরিত্রাতারূপে প্রয়ােজন , শুধু এ জানানাের জন্যই আমাদের কাছে বিধান প্রদত্ত হয়নি , খ্রীস্টকে পরিত্রাতারূপে গ্রহণ করার পর , কীভাবে খ্রীস্টের জন্য জীবনযাপন করা উচিত , তা প্রদর্শনের জন্যও বিধান প্রদত্ত হয়েছিল । কারণ যােহন বলেছেন , “ ঈশ্বরকে ভালােবাসার অর্থ হল , তার আদেশ পালন করা ( ১ যােহন ৫ : ৩ ) । 

উপসংহারে আমরা এই বিষয়টির উপর জোর দিতে চাই যে , 'প্রশ্নোত্তর ’ মতবাদরূপে খ্রীস্টধর্ম ও জীবনরূপে খ্রীস্টধর্ম , এই দুইয়ের কোন একটিকে বেছে নেওয়াকে দৃঢ়রূপে প্রত্যাখ্যান করেছে । প্রকৃত খ্রীস্টধর্ম কখনই একটিকে ছাড়া আর একটি নয় । ভালাে গাছ এবং তার ফলের মতাে সর্বদা দুটি একসঙ্গে থাকবে ।

Post a Comment

0 Comments