খ্রীস্টে
নতুন জীবনে প্রবেশ
আদি ১২:১-৩
প্রেরিত ৭:২-৪ পদানুসারে,
অব্রাম কলদীয় দেশের ঊরে থাকাকালীন ঈশ্বরের আহ্বাণ পেয়েছিলেন। ধরা যেতে পারে, এই আহ্বাণের
কথা অব্রাম যখন পরিবারের অন্যান্যদের বলেছিলেন, তখন পিতা তেরহ সেই আহ্বাণের প্রতি আকৃষ্ট
হন। কারণ ঊরের প্রাচূর্যপূর্ণ বিলাশিতার জীবন তাদের প্রকৃত শান্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছিল।
তাই, পিতা ও অন্যান্যদের নিয়ে অব্রাম কনানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছিলেন। কিন্তু
কনানের উদ্দেশ্যে এই যাত্রা পিতা তেরহ শুরু করলেও শেষ করতে পারেননি। পিতা তেরহ তাদের
সঙ্গে হারণ পর্যন্ত যান এবং সেখানকার অনুকূল পরিবেশ কনানের উদ্দেশ্যে যাত্রার পথে বাধা
হয়ে দাঁড়ায়। ফলস্বরূপ, তারা পিতা তেরহের মৃত্যু পর্যন্ত হারণে বসবাস করেন।
পিতা
তেরহ এই যাত্রা শেষ করতে পারেননি, কিন্তু অব্রাম পেরেছিলেন। কিন্তু তার জন্য ঈশ্বর
তাঁকে পুনরায় আহ্বাণ জানিয়েছিলেন। ঈশ্বর তাঁকে যে দ্বিতীয়বার আহ্বাণ জানান, সেই আহ্বাণের
বিষয়বস্তু আমরা আদি ১২:১-৩ পদে পাই। অব্রামের ন্যায় আমাদের জীবনেও এই পুনরায় আহ্বাণ
বা পুনরায় নিজেকে উৎসর্গ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অব্রাম যদিও ঊরে থাকাকালীন ঈশ্বরের
আহ্বাণ পেয়েছিলেন, কিন্তু পিতার ন্যায় তিনিও হারণে বসবাস করতে আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু
ঈশ্বরের কাছ থেকে পুনরায় আহ্বাণ পেয়ে অব্রাম হারণ ত্যাগ করে কনানের উদ্দেশ্যে পুনরায়
যাত্রা শুরু করেছিলেন অব্রামের ক্ষেত্রেও শুরুতে ঈশ্বরে বিশ্বাস করা সহজ কাজ ছিল না।
এর থেকে আমরা উপলব্ধি করি যে, বিশ্বাসের জীবন হল একটি পদ্ধতি। তাই, যখন আমরা সেই বিশ্বাসের
যাত্রা শুরু করি, তখন ঈশ্বরের প্রতি আমাদের বিশ্বাস নিখুঁত নাও হতে পারে। কিন্তু যাত্রা
পথে সেই বিশ্বাস পরিপক্কতা লাভ করে। অব্রামের ক্ষেত্রেও এই পরিপক্কতা লাভে অনেক বৎসর
সময় লেগেছিল। বিশ্বাসের যাত্রা পথে বাধাদানকরাী বিভিন্ন বিষয় আছে, যাদের দ্বারা আমরা
আমাদের লক্ষ্য থেকে দূরে সরে যাই, আমরা আমাদের আহ্বাণ ভুলে যাই। কিন্তু ঈশ্বর আমাদের
ভুলে যান না; তাই তিনি আমাদের পুনরায় আহ্বাণ করেন।
বিখ্যাত
প্রচারক ড. স্টিফেন অলফোর্ড তাঁর নিজের জীবনের কথা বলতে গিয়ে সেই দিনগুলির কথা বলেছেন।
সেই সময় তিনি জগতের বিলাশিতা ও আরামকে ভালবেসে খ্রীস্টের কাছ থেকে দূরে সরে যাচ্ছিলেন।
সেই সময় মোটরসাইকেলের পিছনেই তিনি তাঁর সমস্ত সময় ও শক্তি ব্যয় করছিলেন। কিন্তু একদিন
শীতের রাতে তাঁর মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় পড়ে, যা তাঁকে হাসপাতালে মৃত্যুর মুখোমুখী করে।
হাসপাতালে থাকাকালীন, তাঁর বাবা যিনি আফ্রিকার মিশনারী ছিলেন, তাঁকে একটি চিঠি লেখেন,
“আমাদের কেবল একটাই জীবন
দেওয়া হয়েছে, এবং তা খুব শীঘ্রই শেষ হয়ে যাবে; কিন্তু খ্রীস্টের জন্য আমরা যা কিছু
করব, কেবল তাই চিরকাল থাকবে”। (“Only one life it soon shall pass,
only what is done for Christ will last.”) । ড. অলফোর্ডের জীবনে বাবার চিঠির এই
কথাগুলো তাঁর প্রতি ঈশ্বরের পুনরায় আহ্বাণ হিসাবে কাজ করেছিল; যা তাঁকে পরবর্তী জীবনে
বিখ্যাত প্রচারকে পরিণত করেছিল। জন ক্যালভিনের জীবনেও স্ট্রসবার্গে উইলিয়ম ফ্যারেলের
কথাকে আমরা ঈশ্বরের পুনরায় আহ্বাণ হিসাবে চিন্তা করতে পারি।
অব্রামের
প্রতি ঈশ্বরের পুনরায় আহ্বাণে আদেশের পাশাপাশি আশির্বাদের উল্লেখ করা হয়েছে – ঈশ্বর অব্রামকে অতীত
ও বর্তমানের সমস্ত বিষয় ত্যাগ করে কেবল ঈশ্বরে বিশ্বাস করে আশা ও ভবিষ্যৎ লাভ করতে
আহ্বাণ জানিয়েছেন। ঈশ্বর এই আদেশের পশাপাশি অব্রামকে যে দেশের প্রতিজ্ঞা করেন, তা তিনি
আক্ষরিক অর্থে পূর্ণ করেছেন, সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু অব্রামের জীবনের এ সমস্ত
ঘটনার বিষয় যখন আজ আমরা শিখছি; আমরা তা থেকে কী লাভ করি?
আমরা
যেন এই সমস্ত বিষয়ের আক্ষরিক প্রয়োগ আমাদের জীবনে না করি। কারণ নতুন নিয়ম আমাদের পরিষ্কার
শিক্ষা দেয় যে, “এই সকল তাদের প্রতি
দৃষ্টান্তরূপে ঘটেছিল, এই আমাদেরই চেতনার জন্য লিখিত হয়েছে” (১করি ১০:১১)। হ্যাঁ, এ সমস্তই আমাদের
আধ্যাত্মিক শিক্ষার জন্যই লিখিত হয়েছে (রোমীয় ১৫:৪)। তাই, আমরা যখন অব্রামের প্রতি
ঈশ্বরের আদেশ ও প্রতিজ্ঞার কথা শিখব, তা আমাদের প্রতিই ঈশ্বরের আধ্যাত্মিক আদেশ ও প্রতিজ্ঞা
হিসাবে গ্রহণ করব। কারণ, এর দ্বারা ঈশ্বর প্রত্যেক বিশ্বাসীর উদ্দেশ্যে আহ্বাণ জানিয়েছেন।
১। আদেশ – ঈশ্বর অব্রামকে ৩টি
আদেশ করেছিলেন। দেশ, জ্ঞাতিকুটুম্ব ও পৈত্রিক বাটি ত্যাগ করতে ঈশ্বর অব্রামকে আদেশ
কেরেছিলেন। সুসমাচের আহ্বাণও যখন আমাদের কাছে উপস্থিত হয়, আমাদের প্রত্যেককে ঠিক একই
আদেশ করা হয়ে থাকে।
ক) দেশ – জন্ম থেকে আমরা যে
দেশে বাস করে চলেছি, সুসমাচারের আহ্বাণ আমাদের সেই দেশ ত্যাগ করতে আদেশ করে। এর মানে
অবশ্যই প্রাকৃতিক দেশ ত্যাগ করা নয়; কিন্তু সেই পুরানো জীবন ও তার সঙ্গে জড়িত উচ্চাকাঙ্খা; আনুগত্য; অর্থ, ক্ষমতা ও খ্যাতির
পূজা; পাপের দাসত্ব। এককথায় জন্ম থেকে যে প্রকৃতি (বা দেশের) অধিকারী আমরা, তা
ত্যাগ করতে আদেশ করা হয়েছে। কারণ, তা পাপের দ্বারা পরিচালিত দর্শণ ও মূল্যবোধে পরিপূর্ণ।
খ) জ্ঞাতি কুটুম্ব – আধ্যাত্মিক অর্থে এর
দ্বারা সেই সমস্ত নৈতিক শক্তিকে নির্দেশ করা হয়েছে, যা আমাদের জীবনকে গঠিত করে। রক্তের
সম্পর্ক যেমন আমাদের শারিরিক গঠনে ওতপ্রতভাবে জড়িত; ঠিক একইভাবে আমাদের চিন্তা ও কার্যকে
বিভিন্ন নৈতিক শক্তি প্রভাবিত করে থাকে। অন্যদের
মনোভাব, পারিবারিক ঐতিহ্য, পরিবার ও বন্ধুদের চাপ – প্রভৃতি বিষয়কে আমাদের
ত্যাগ করতে হবে, যদি আমরা ঈশ্বরের ডাকে সাড়া দিতে চাই। ঈশ্বর যখন আমাদের ডাকেন, তখন
অন্যে কী ভাববে, তা বড় বিষয় নয়; কিন্তু ঈশ্বর কী ভাববেন, সেটাই সব থেকে বড় বিষয়।
গ) পৈত্রিক বাটি – “পুরানো
মানুষের” সমস্ত পিছুটানকে ত্যাগ
করতে হবে। এই অর্থে, আদমই আমাদের সকলের পিতা। “আদমের প্রকৃতিকে” আমরা আমাদের পৈত্রিক
বাটি হিসাবে চিন্তা করতে পারি। এই পৈত্রিক বাটিকে ত্যাগ করার অর্থ – আমরা আর আমাদের চেহারা, প্রতীভা, বা সঙ্গতির উপর নির্ভর করি
না; কিন্তু ঈশ্বরের শক্তি ও ক্ষমতায় নির্ভর করি।
ঈশ্বর
আমাদের প্রত্যেককেইর এই আদেশ করেন। আমরা যখন এমন আদেশের মুখোমুখী হই, তখন পুরানো জীবনের
অনেক বিষয়ই আমাদের কাছে অধিক কাম্য বিষয় বলে মনে হয়। তাই, পুরানো জীবনকে ত্যাগ করতে
আমরা ইতস্ততঃ করি, এদের পিছুটানের অনুভূতি আমাদের যন্ত্রণা দেয়। অব্রামও এই অনুভূতি
অনুভব করেছিল। তার উপর, যে দেশের প্রতিজ্ঞা তাঁর কাছে করা হয়েছিল, তা তাঁর কাছে সম্পূর্ণ
অজানা ছিল। আসলে, সেই দেশ আমাদের প্রত্যেকের
কাছেই অজানা, যতক্ষণ পর্যন্ত না আমরা তার অভিজ্ঞতা লাভ করি। আবার সেই দেশের অভিজ্ঞাতা
কেবল তখন লাভ করা যায়, যখন আমরা আমাদের পুরানো জীবনকে ত্যাগ করে বিশ্বাসের যাত্রা শুরু
করি।
আনি
কি ঈশ্বরের এই আদেশ শুনেছেন? এতকাল আপনি যে সমস্ত বিষয়ের উপর নির্ভর করেছেন, তা ত্যাগ
করার আদেশ কি আপনি শুনেছেন? আনি কি আপনার জীবনে নতুন দেশের অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন? মনে
রাখবেন, পুরানো জীবন ও নতুন দেশের অভিজ্ঞতা কখনও একসঙ্গে লাভ করা
সম্ভব নয়। ঈশ্ব যখন আমাদের ডাকেন, তিনি আমাদের কাছে সম্পূর্ণ উৎসর্গীকরণ
(Total Commitment) চান (মথি১৬:২৪); আংশিক
ত্যাগস্বীকার নয়। (মুরিগী ও শুকরের প্রাতরাশ)।
২। প্রতিজ্ঞা – কেবল আদেশ নয়, ঈশ্বর
অব্রামের প্রতি আদেশের পাশাপাশি প্রতিজ্ঞাও করেছেন। অব্রামের প্রতি ঈশ্বরের এই প্রতিজ্ঞার
পূর্ণতা সম্পূর্ণ বাইবেলে দেখতে পাওয়া যায়। অব্রাহামের সঙ্গে ঈশ্বরের চুক্তিকে আদি
১২:১-৩ পদে পরিচিত করা হয়েছে, ১৫:১৮-২১ পদে প্রকৃত অর্থে সাধিত হয়েছে ও ১৭:১-২১ পদে
পুনরায় ঘোষিত হয়েছে।
বিশেষ দৃষ্টি দেবার বিষয় হল, ২-৩ পদে অব্রামের
প্রতি ঈশ্বর আশির্বাদের ৬টি বিবৃতি দিয়েছেন – (১) মহাজাতির উৎপত্তি,
(২) নাম মহৎ করা, (৩) আশির্বাদের আকর হওয়া, (৪) আশির্বাদকারী আশির্বাদ পাবে, (৫) অভিশাপকারী
অভিশাপ পাবে, ও (৬) সমস্ত গোষ্ঠী আশির্বাদ পাবে। আবার, আদিপুস্তক ১-১১ অধ্যায়ের মধ্যে
“আশির্বাদ” শব্দটি মাত্র ৫ বার ব্যবহৃত হলেও; ১২:২-৩ পদে এই শব্দ ৫ বার ব্যবহৃত
হয়েছে। আদি ৩:১৫ পদে যে সুসমাচারের আভাষ দেওয়া হয়েছিল, এখানে সেই সুসমাচারের বীজের
অঙ্কুরদ্গম দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। অব্রামের প্রতি ঈশ্বরের প্রতিজ্ঞায় ৩টি বিষয় তুলে ধরা
হয়েছে। আধ্যাত্মিক অর্থে বিশ্বাসী আমাদের জীবনেও এই প্রতিজ্ঞা একইভাবে প্রযোজ্য।
ক) মহাজাতি – আক্ষরিক অর্থে, অব্রামের
প্রতি এই প্রতিজ্ঞা ইস্রায়েল জাতির দ্বারা পূর্ণ হয়েছে। বাইবেলের বর্ণনা অনুসারে, প্রতিটি
জাতি একটি মানুষের দ্বারা শুরু হয়েছে, একটি মানুষ থেকে একটি পরিবার, এবং সেই পরিবার
বৃদ্ধি ও বিস্তৃতি লাভ করে শেষে এক জাতিতে রূপান্তরিত হয়েছে। তাই, পৃথিবীর প্রতিটি
জাতি মানুষের ক্রমশ ও বিস্তারিত জীবন। আজ,
বিশ্বাসী আমাদের জীবনে এ হল অনন্ত জীবনের ছবি, যে অনন্ত জীবন হল সুসমাচারের প্রথম প্রতিজ্ঞা
– “পাপের
বেতন মৃত্যু” (ঊর দেশ); “কিন্তু
ঈশ্বরের অনুগ্রহ দান আমাদের প্রভু যীশু খ্রীষ্টে অনন্ত জীবন” (কনান) (রোমীয় ৬:২৩)। আমরা যখন আমাদের
পুরানো জীবন ও তার সঙ্গে জড়িত সমস্ত পিছুটান ত্যাগ করি, এবং যীশুতে আমাদের আশা ও বিশ্বাস
স্থাপন করি, আমরা মহাজাতিতে রূপান্তরিত হই – অর্থাৎ অনন্ত জীবন লাভ করি, যে জীবন ক্রমশ বৃদ্ধি ও বিস্তার
লাভ করে চলে।
খ) আশির্বাদের আকর – অব্রামের জীবনে এ আশির্বাদ
আক্ষরিক অর্থে পূর্ণ হয়েছিল – তিনি ধনবার হয়েছিলেন, সম্মান পেয়েছিলেন,
অন্যদের কাছে আশির্বাদ এনেছিলেন – অর্থাৎ তিনি ক্ষমতা ও প্রভাবের অধিকারী
হয়েছিলেন। বিশ্বাসী আমরা যদি খ্রীষ্টবিশ্বাসী হওয়ার কারণে জাগতিক ধনে ধনবার হওয়ার আশা
করি, তাহলে ঠকতে হবে। কিন্তু ঈশ্বর বিশ্বাসী আমাদের অবশ্যই খ্রীষ্টের ধনে ধনবার হবার প্রতিজ্ঞা করেন (রোমীয় ১১:৩৩)। অর্থ যা ক্রয়
করতে পারে না, সেই আন্তরিক সন্তুষ্টি বা পরিবর্তণ, কেবল ঈশ্বর জ্ঞানই আমাদের দিতে পারে।
মানুষের দৃষ্টিতে সম্মান নয়, কিন্তু ঈশ্বরের
কাছ থেকে সম্মানের প্রতিজ্ঞা করা হয়েছে (যোহন ১২:২৬; ইব্রীয় ১১:৩৮)। এবং অন্যদের
আশির্বাদ করতে ঈশ্বর বিশ্বাসী আমাদের ব্যবহার করতে চলেছেন, তিনি আমাদের প্রত্যেককে
ফলধারণকারী করতে চলেছেন (যোহন ১৫:৫)।
গ) সমস্ত গোষ্ঠী আশির্বাদ পাবে – “তোমার আশির্বাদকারী
আমার আশির্বাদ পাবে, তোমার অভিশাপকারী আমার অভিশাপ পাবে,” এ কথা আমাদের ছেলেমেয়েদের
প্রতি সমস্ত বাবা-মায়ের। সন্তানদের ভাল-মন্দ আমাদের ভাল-মন্দের সমান। ঈশ্বরও বিশ্বাসী
আমাদের এত ভালোবেসেছেন যে তিনি আমাদের তাঁর সন্তান আখ্যা দিয়েছেন (১ যোহন ৩:১)। অর্থাৎ,
আমরা জগতের কাছে ঈশ্বরের প্রতিনিধি – আমরা তাদের কাছে হয়
আশির্বাদ অথবা অভিশাপ আনতে চলেছি। পৌল খুব সুন্দরভাবে এই সত্য ব্যাখ্যা করেছেন (২ করি
২:১৫-১৬)। জগৎ আমাদের উপেক্ষা করতে পারে না।
আপনার একার জীবনকে ব্যবহার করে তিনি সমগ্র পৃথিবীতে আশির্বাদ করতে চলেছেন।
আপনি
কি পুরানো জীবন (ঊর) ত্যাগ করে খ্রীষ্টেতে নতুন জীবনে (কনান) প্রবেশ করেছেন?


0 Comments