সুসম্বদ্ধ ঈশতত্ব কি? খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের এই শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা কি? আমরা কিভাবে এই শিক্ষা গ্রহণ করব?
ক। ঈশতত্বের
সংজ্ঞা
ঈশতত্বের সাধারণ ও প্রাথমিক
সংজ্ঞা হিসাবে আমরা একে ‘ঈশ্বর বিষয়ক অধ্যয়ন
বা বিজ্ঞান’ বলতে পারি। কিন্তু
খ্রীষ্টধর্মের ঈশ্বর সক্রিয় সত্বা হওয়ায়, এই প্রাথমিক সংজ্ঞাকে একটু লম্বা করে,
ঈশ্বরের কার্য এবং তার সঙ্গে ঈশ্বরের সম্পর্ককে এই সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন।
তাই ঈশতত্বের মধ্যে আমরা ঈশ্বরের সৃষ্টিকার্যকে,
মূলত মানুষের সৃষ্টিকে ও তাদের পরিস্থিতিকে এবং মানুষের পরিত্রাণার্থে ঈশ্বরের উদ্ধারকারী কার্যকেও অন্তর্ভুক্ত করব।
এখন, এই অধ্যয়ণের লক্ষ্য
বা উদ্দেশ্যকে মাথায় রেখে, আমরা এর সংজ্ঞাকে এইভাবেও উল্লেখ করতে পারি- “খ্রীষ্টবিশ্বাসের বিভিন্ন
মতবাদের (Doctrines) সুসম্বদ্ধ উপস্থাপন”, যা প্রাথমিকভাবে শাস্ত্রকে
(বাইবেল) ভিত্তি করে তৈরী, সাধারণ সাংস্কৃতিক পরিস্থিতিতে পরিবেশিত, সমসাময়িক পরিভাষায়
প্রকাশিত, এবং জীবনের বিভিন্ন বিচার্য বিষয় (Issues) সম্বন্ধীয়। অর্থাৎ, ঈশতত্বের মধ্যে যে বৈশিষ্ঠগুলি থাকা একান্ত
প্রয়োজনীয়, সেগুলি হল -
১। ঈশতত্বকে বাইবেলভিত্তিক (Biblical) হতে হবে। পুরাতন ও নতুন নিয়মের ৬৬টি ক্যানোনিক্যাল পুস্তকই
এই শিক্ষার প্রাথমিক উৎস। তাই, এই শিক্ষায় শাস্ত্র-বাক্যকে উপযুক্তভাবে ও গভীরভাবে
উপলব্ধি ও ব্যাখ্যা করতে হবে। অবশ্য, প্রয়োজনে ঈশ্বরের সাধারণ প্রকাশের বিভিন্ন সত্যের
গভীর অর্থকেও ব্যবহার করা হয়।
২। এই ঈশতত্ব সুসম্বন্ধ (Systematic)। অর্থাৎ, এই শিক্ষায় সম্পূর্ণ বাইবেলকে ক্ষেত্র হিসাবে ধরা
হয়। বাইবেলের কোন একটি মাত্র অংশকে আলাদা করে চিন্তা করা বা ব্যাখ্যা করা নয়, কিন্তু
কোন বিষয়ে বাইবেলের বিভিন্ন অংশের শিক্ষাকে এক জায়গায় মিলিত করে, একের সঙ্গে অন্যের
সম্পর্ককে আবিষ্কার করা, সুসম্বদ্ধভাবে উপস্থাপিত করা।
৩। এই ঈশতত্ব সাধারণ সংস্কৃতি ও শিক্ষার (General
Culture & Learning) বিভিন্ন বিচার্য্য
বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই, বিজ্ঞানের দ্বারা উপস্থাপিত সৃষ্টি-তত্ব বা মনস্তত্ববিদের
উপলব্ধিতে মানুষের ব্যক্তিত্ব বা ইতিহাসের দার্শনিক ব্যাখ্যা, প্রভৃতি সংস্কৃতি ও শিক্ষার
সাধারণ বিষয়গুলিও এতে আলোচিত হয়।
৪। এই ঈশতত্বকে সমসাময়িক (Contemporary) হতে হবে। যদিও এই শিক্ষার বিচার্য বিষয়গুলি (Issues) অনন্তকালীন, তথাপি এর ভাষা, চিন্তা এবং ধারণাকে
এমন হতে হবে, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে বোধগম্য। কিন্তু এই কাজ করতে গেলে যে বিপদের ঝুঁকি
আছে, তা আমাদের স্মরণে রাখতে হবে। কারণ, অনেক ঈশতত্ববিদকে দেখা যায়, যারা বর্তমান
বিভিন্ন ইস্যুকে ব্যখ্যা করতে গিয়ে, বাইবেলের বিভিন্ন সত্যকে এমন নতুন আকার দিয়েছে
যে, ঈশ্বরের বাক্যকে তারা বিকৃত করেছে (peril of modernizing Jesus)। আবার এর বিপরীতে, বাইবেলের সত্যকে এমনভাবে
উপস্থাপিত করা হয়েছে যে, তা উপলব্ধি করার জন্য, একবিংশ শতাব্দীর মানুষকে প্রথম শতাব্দী
ফিরে যেতে হয়। কিন্তু এই পদ্ধতিতে আমরা কেবল প্রথম শতাব্দীর সেইসব সমস্যাকে মোকাবিলা
করতে পারি, যেগুলি এই একবিংশ শতাব্দীতে আমরা চিন্তা পর্যন্ত করতে পারি না (peril of archaizing ourselves)।
এইজন্য কেবল সমসাময়িক
চিন্তাধারার মাধ্যমে খ্রীষ্টিয়শিক্ষাকে তুলে ধরা নয়, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে সমসাময়িক
প্রশ্ন বা সমস্যাদির মোকাবিলা করাও আজ ঈশতত্বের দায়িত্ব। আবার, এখানে থেমে থাকলেও
চলবে না। কারণ ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে, ঈশতত্বকে আগামী বিচার্য-বিষয়াদির উত্তরও
প্রস্তুত রাখতে হবে।
৫। পরিশেষে, ঈশতত্বকে ব্যবহারিক (Practical) হতে হবে। এর অর্থ ব্যবহারিক-ঈশতত্ব (Practical Theology) নয়, অর্থাৎ, এই অধ্যয়নের বিষয়বস্তু
কিভাবে প্রচার করতে হয়, বা কিভাবে পরামর্শ দিতে হয়, বা কিভাবে শিশুদের শিক্ষা দিতে
হয়, তা নয়। এর অর্থ ঈশতত্ব কেবল বিশ্বাস নয়, কিন্তু জীবনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
আমাদের ব্যবহারিক জীবনের বিভিন্ন বিষয়ে খ্রীষ্ট বিশ্বাস আমাদের সাহায্য যুগিয়ে থাকে।
উদাহরণস্বরূপ, যীশুর দ্বিতীয় আগমন সম্বন্ধে নিশ্চয়তা দেবার পর পৌল এমন কথা বলেছেন,
“এই সকল কথা বলে একজন
অন্যজনকে সান্ত্বনা দাও।” অবশ্য আমরা সর্বদা
মনে রাখৰ যে, খ্রীষ্টিয় কোন মতবাদের ফলাফল হিসাবে আমরা এর ব্যবহারিক দিকগুলিকে চিন্তা
করব; কিন্তু এর বিপরীতে, কোন ব্যবহারিক দিকের কথা চিন্তা করে আমরা যেন কখনও কোন খ্রীষ্টিয়
মতবাদ তৈরী করার দুঃসাহস না দেখাই।
খ। ঈশতত্বের
মানচিত্রে সুসম্বদ্ধ ঈশতত্বের অবস্থান
‘ঈশতত্ব’ শব্দটি একটি বড় ক্ষেত্রকে নির্দেশ করে।
তাই সুসম্বন্ধ ঈশতত্ব বলতে আমরা ঠিক কোন অংশকে নির্দেশ করি, তা জানা একান্ত প্রয়োজন।
বিস্তৃত অর্থে এই শব্দ ‘ঈশতাত্ত্বিক বিদ্যালয়ে’ যে সকল বিষয় শিক্ষা
দেওয়া হয়, তাদের প্রত্যেকটিকে নির্দেশ করে। এই অর্থে এর মধ্যে পুরাতন নিয়ম, নূতন
নিয়ম, মণ্ডলীর ইতিহাস, সুসম্বদ্ধ ঈশতত্ত্ব, মিশন, ধর্মের দর্শণ, প্রচার, পালকীয় পরিচর্যা
প্রভৃতি বিভিন্ন বিষয় অন্তর্গত। কিন্তু সংকীর্ণ অর্থে, এই শব্দ খ্রীষ্ট-বিশ্বাসের
বিভিন্ন মতবাদ সম্বন্ধীয় শিক্ষাকে নির্দেশ করে। সেখানে আমরা তাই, বাইবেলভিত্তিক ঈশতত্ব
(Biblical Theology), সুসম্বদ্ধ ঈশতত্ব (Systematic Theology), ঐতিহাসিক ঈশতত্ব (Historical Theology), দার্শণিক ঈশতত্ব (Philosophical Theology), প্রভৃতি বিভাগগুলি
দেখতে পাই। এই সকল বিভাগগুলির মধ্য থেকে আমরা সুসম্বদ্ধ ঈশতত্বকে পৃথক করে দেখতে পারি।
প্রকৃতপক্ষে, আমরা আমাদের শিক্ষায়, এই ‘সুসম্বন্ধ ঈশতত্ব’কেই সহজ কথায় ‘ঈশতত্ব’ বলে নির্দেশ করব। আবার
এই সুসম্বদ্ধ ঈশতত্বের মধ্যে আমরা যে সকল বিষয়ে বাইবেলভিত্তিক মতবাদ শিখব, সেগুলি
হল, শাস্ত্র-তত্ব, ঈশ্বর-তত্ব, মনুষ্য-তত্ব, খ্রীষ্ট-তত্ব, পরিত্রাণ-তত্ব, মণ্ডলী-তত্ব,
এবং পরিশেষ-তত্ব।
গ। সুসম্বন্ধ
ঈশতত্বের সংজ্ঞা
যদিও বিভিন্ন প্রকার
সংজ্ঞা দেওয়া হয়ে থাকে, আমরা আমাদের অধ্যয়নের প্রয়োজনে নিচের সংজ্ঞাটি ব্যবহার করব
— বিভিন্ন বিষয় (Topic) সম্বন্ধে আমরা কি বিশ্বাস করব, তার জন্য ঐ
বিষয় সংক্রান্ত বাইবেলের বিভিন্ন অংশগুলি এক জায়গায় সংগ্রহ করে এবং ঐ অংশগুলির অর্থ
উপলব্ধি করে, ঐ বিষয়ে বাইবেলের শিক্ষাকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশ
করা।
ঘ। খ্রীষ্টিয়
মতবাদ কি?
সহজ ভাষায় খ্রীষ্টিয়
মতবাদের অর্থ, "কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে আজ সমগ্র বাইবেল আমাদের কী শিক্ষা দেয়”। এই সংজ্ঞা সুসম্বন্ধ
ঈশতত্তের সংজ্ঞার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। কারণ কোন একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে সুসম্বদ্ধ
ঈশতত্ত্বের প্রয়োগের ফলস্বরূপ আমরা বিভিন্ন মতবাদ লাভ করি। এই অর্থে ‘মতবাদ’ শব্দের দ্বারা একদিকে যেমন খুবই বিস্তৃত,
অন্যদিকে খুবই সংকীর্ণ ক্ষেত্রকে নির্দেশ করা সম্ভব। তাই ‘ঈশ্বর সম্বন্ধীয় মতবাদের’ দ্বারা সেই বিস্তৃত
ক্ষেত্রকে নির্দেশ করা হয়, যার মধ্যে ঈশ্বর সম্বন্ধে বাইবেলের সকল শিক্ষার সারসংক্ষেপ
অন্তর্গত। অন্যদিকে, এর অর্ন্তগত অপেক্ষাকৃত সংকীর্ণ পরিধির মতবাদ হল ‘ঈশ্বরের অনন্ততার মতবাদ’, বা ‘ত্রিত্ব-ঈশ্বর মতবাদ’, বা ‘ঈশ্বরের ন্যায়-বিচারের
মতবাদ’ ইত্যাদি।
আমরা সাতটি প্রধান মতবাদকে কেন্দ্র করে, খ্রীষ্টবিশ্বাসের
নিম্নলিখিত সাতটি ক্ষেত্রে অধ্যয়ণ করব
১। ঈশ্বরের বাক্য সম্বন্ধীয়
মতবাদ (Doctrine of the Word of God, Bibliology)
২। ঈশ্বর সম্বন্ধীয়
মতবাদ (Doctrine of God, Theology Proper)
৩। মনুষ্য সম্বন্ধীয়
মতবাদ (Doctrine of Man, Anthropology)
৪। খ্রীষ্ট সম্বন্ধীয়
মতবাদ (Doctrine of Christ, Christology)
৫। পরিত্রাণ সম্বন্ধীয়
মতবাদ (Doctrine of Salvation, Soteriology)
৬। মণ্ডলী সম্বন্ধীয়
মতবাদ (Doctrine of Church, Ecclesiology)
৭। পরিশেষের
বিষয় সম্বন্ধীয় মতবাদ (Doctrine of
Last Things, Eschatology)
উপরের
প্রতিটি প্রধান বিভাগের মধ্যে, আমরা বিভিন্ন মতবাদ শিক্ষা করব। সাধারণত তিনটি দিক চিন্তা
করে আমরা ঐ সকল মতবাদগুলি আমাদের আলোচনার বিষয় হিসাবে বেছে নেব-
(১) শাস্ত্রে
ঐ সকল মতবাদগুলির উপর বিশেষ গুরুত্ত্ব আরোপ করা হয়েছে (ঈশ্বরের প্রেম প্রকৃতি, ঈশ্বরের
ন্যায়বিচার, কুমারীর গর্ভে যীশুর জন্ম, ইত্যাদি)।
(২) খ্রীষ্টিয়
মণ্ডলীর ইতিহাসে ঐ সকল মতবাদগুলি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করে, সর্বকালের বিশ্বাসীদের
জীবনে বিশেষ প্রভাব ফেলেছে (ত্রিত্ব ঈশ্বর, খ্রীষ্টের ঈশ্বর ও মানব প্রকৃতি, ইত্যাদি),
এবং
(৩) খ্রীষ্টিয়
মণ্ডলীর বর্তমান পরিবেশে ঐ সকল মতবাদগুলি বিশ্বাসীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল
করে আছে (শাস্ত্রের সত্য-সিদ্ধতা, আধ্যাত্মিক যুদ্ধ, আত্মিক বর, ইত্যাদি)।
পরিশেষে,
সুসম্বন্ধ ঈশতত্ব এবং খ্রীষ্টিয় নীতিবাদের মধ্যে পার্থক্য আমাদের উপলব্ধি করতে হবে।
যদিও বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই দুই প্রকার অধ্যয়ণের মধ্যে স্থানান্তর (overlap) আমাদের চোখে পড়ে, তথাপি আমরা সর্বদা এই দুই
প্রকার শিক্ষার মধ্যে প্রাথমিক পার্থক্যকে মাথায় রাখতে চেষ্টা করব। ‘কোন বিষয়ে, আমরা কী
বিশ্বাস করব ও জানব, সে বিষয়ে ঈশ্বরের ইচ্ছা কী’, তা হল সুসম্বদ্ধ।
ঈশতত্ত্বের ক্ষেত্র। কিন্তু ‘কোন্ পরিস্থিতিতে, আমরা
কী করব ও কেমন মনোভাব গ্রহণ করব, সে বিষয়ে ঈশ্বরের ইচছা কী’, তা হল খ্রীষ্টিয়
নীতিবাদের ক্ষেত্র। অর্থাৎ, ঈশতত্ত্ব যেখানে বিভিন্ন মতাদর্শ (Idea) কেন্দ্রীক, খ্রীষ্টিয় নীতিবাদ সেখানে জীবনের
বিভিন্ন পরিস্থিতি (Situations
in life)
কেন্দ্রীক। আমরা কীভাবে চিন্তা করব, তার উত্তর আমরা পাই ঈশতত্ব থেকে, কিন্তু আমরা কীভাবে
জীবন যাপন করব, তার উত্তর পাই খ্রীষ্টিয় নীতিবাদ থেকে। তাই বলে যে উভয়ের মধ্যে কোন
প্রকার স্থানান্তর থাকবে না, তা নয়। কারণ, ঈশতত্ত্ব অবশ্যই বিশ্বাসীদের জীবনে প্রয়োগ
করতে হবে (এই অর্থে ঈশতত্ত্বও একদিকে কিছু পরিমাণে নৈতিক)। আবার নীতিবাদও ঈশ্বর সম্বন্ধে
উপযুক্ত ধারণাকে ভিত্তি করেই তৈরী করতে হবে।
ঙ। ঈশতত্ব শিক্ষার প্রাথমিক পূর্বধারণাসমূহ (Presuppositions)
আমাদের
ঈশতত্ব শিক্ষার শুরু দুটি পূর্বধারণাকে দিয়ে-
(১) বাইবেল
সম্পূর্ণ সত্য, অর্থাৎ, বাইবেলই প্রকৃতপক্ষে সত্যের চরম মান, এবং (২) বাইবেলে উল্লেখিত
ঈশ্বর তার অস্তিত্ব রক্ষা করে চলেছেন, এবং তার সম্বন্ধে বাইবেল যা বলে তা সত্য- তিনি
আকাশমণ্ডল ও পৃথিবী এবং তার মধ্যে অবস্থিত সকল বিষয়ের সৃষ্টিকর্তা।
চ। খ্রীষ্ট বিশ্বাসী কেন ঈশতত্ত্ব অধ্যয়ণ করবে?
প্রাত্যহিক
জীবনে বাইবেল পাঠ কি যথেষ্ট নয়? আবার ঈশতত্ব অধ্যয়নের প্রয়োজন কী?
১। যীশুর
আজ্ঞাসকল সঠিকভাবে বিশ্বাসীদের শিক্ষা দেবার জন্য (মথি ২৮.১৯-২০; ১করিন্থিয় ১৪,৩৭)
২। বিভিন্ন
বিষয়ে আমাদের ভুল ধারণার সংশোধনের জন্য
৩। ভবিষ্যতে
উত্তমতর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার জন্য
৪। খ্রীষ্ট
বিশ্বাসী হিসাবে বৃদ্ধি পাবার জন্য (১ তীমথিয় ৬.৩, তীত ১.১)
ছ। খ্রীষ্ট বিশ্বাসী কিভাবে ঈশতত্ত্ব অধ্যয়ণ করবে?
১। প্রার্থনা
সহকারে (গীত ১১৯.১৮; ১করিন্থিয় ২.১৪; ইফিষীয় ১.১৭-১৯)
২। নম্রতা
সহকারে (১ পিতর ৫.৫; যাকোব ১.১৯-২০; ৩.১৩, ১৭-১৮)
৩। যুক্তি
সহকারে
৪। অন্যদের
সাহায্য সহকারে (১ করিন্থিয় ১২.২৮)
৫। সকল
অংশের শিক্ষার প্রতি নজর দিতে হবে (বাইবেলের শুধু একটি বা দুটি অংশকে ভিত্তি করে যেন
আমরা কোন ঈশতাত্তিক মতবাদকে তৈরী করার চেষ্টা না করি)।


0 Comments