Recent Post

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

ঈশ্বরের তত্ত্বাবধানের কাজ কী ?

     ঈশ্বরের তত্ত্বাবধানের কাজ হল, তাঁর সৃষ্ট সমস্ত প্রাণী ও তাদের কাজের সবচেয়ে পবিত্র, প্রজ্ঞাপূর্ণ এবং পরাক্রমশালী সংরক্ষণ ও শাসন । 

১. দুটি চড়ুই পাখি কি এক পয়সায় বিক্রি হয় না? আর তােমাদের পিতার অনুমতি ছাড়া তাদের একটিও ভূমিতে পড়ে না (মথি ১০:২৯)। 

২. সদাপ্রভু আপনার সমস্ত পথে ধর্মশীল এবং সর্বক্ষেত্রে পবিত্র ( গীত ১৪৫ : ১৭ )। 

৩, সর্বাধিপতি প্রভু পরমেশ্বরের কাছ থেকেই এই প্রজ্ঞা আসে । ঈশ্বরের সমস্ত পরামর্শই জ্ঞানপূর্ণ, তাঁর বিবেচনা প্রজ্ঞার আধার (যিশা  ২৮:২৯)। 

৪. আপন পরাক্রমের বাক্যে সমুদয়ের ধারণকর্তা (ইব্রিয় ১ : ৩)। তাঁর রাজ্য কর্তৃত্ব করে সমস্তের উপরে (গীত ১০৩ : ১৯)। 

    ঈশ্বর তাঁর অনুশাসনকে শুধু সৃষ্টিকর্মেই নয়, তত্ত্বাবধান-কর্মেও বলবৎ করলেন । 'প্রশ্নোত্তর' অনুসারে, ঈশ্বরের তত্ত্বাবধানমূলক কর্ম দুই ধরনের: (১) তিনি সংরক্ষণ করেন, এবং (২) তিনি শাসন করেন। প্রশ্নোত্তরের শিক্ষাকে ব্যাখ্যা করার জন্য, আমরা দুটি পারিপার্শ্বিকতায় মুকুলের কথা চিন্তা করে দেখি: 



সংরক্ষণ 


    ৯.১ চিত্ররূপে আমরা দেখি, ঝড়ের মধ্যেও মুকুল শান্তিতে ঘুমাচ্ছে। খ্রীস্টবিশ্বাসীর কী রকম করা উচিত, এ তারই চিত্র। কারণ তাকে উপলব্ধি করতে হবে যে, ঈশ্বরই সংরক্ষণ ও রক্ষা করেন। লােকে প্রায়ই সে-কথা ভুলে যায়। "তারা প্রকৃতির নিয়ম” এবং “আধুনিক বিজ্ঞানের আবিষ্কার” সম্পর্কে বলে থাকে। তাদের দেখে মনে হয়, তারা যেন ভুলে গেছে যে, ঈশ্বরই “আপন পরাক্রমের বাক্যে সমুদয়ের ধারণকর্তা” হয়েছেন (ইব্রীয় ১ : ৩), এবং খ্রীস্টবিশ্বাসীরূপে আমাদের এ কথাও ভুলে যাওয়া সহজ যে, “ঈশ্বর আমাদের কারও কাছ থেকেই দূরে নেই।... তাঁর মধ্যেই নিহিত আমাদের জীবন, গতি ও সত্তা” (প্রেরিত ১৭ : ২৭-২৮)। কিন্তু প্রকৃত সত্য হল, ঈশ্বর সমস্ত বিষয়কে ধারণ না করলে সেগুলি তৎক্ষণাৎ দূরীভূত হবে। “তুমি তাদের সকলের [সর্ববিষয়ের] স্থিতি করছ” (নহিমিয় ৯ : ৬)। প্রেরিতশিষ্য বলেন, “সমগ্র সৃষ্টি তাঁরই মাঝে সন্নিবদ্ধ" (কলসীয় ১:১৭)। এমনকী ঈশ্বর যদি তাঁর বাক্যের পরাক্রমে শয়তানের অস্তিত্ব রক্ষা না-করতেন (কিন্তু তার দুষ্টতায় নয়) তা হলে এক মুহূর্তের জন্যও সে টিকে থাকতে পারত না ! 



 শাসন 


চিত্ররূপ ৯.২ - তে আমরা দেখি, মুকুল যুদ্ধের বহু বিপদের মধ্যে অবস্থান করছে । তবু, চিত্রটিতে গীতসংহিতা ৯১ - এর একটি অংশ তুলে ধরা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, “তােমার পাশে নিপাতিত হবে সহস্ৰ জন, নিপাতিত হবে দশ সহস্র জন তােমার চতুর্দিকে, কিন্তু কোন বিপদ তােমাকে স্পর্শ করবে না...” (৭ পদ)। এই চিত্ররূপ থেকে আমরা দেখাবার চেষ্টা করছি যে, ঈশ্বর বৃহত্তম থেকে ক্ষুদ্রতম, সকল প্রাণী, সকল কার্য এবং বিষয়কে পরিচালিত করে থাকেন”। এর অর্থ নয় যে, যুদ্ধে কেউ মারা যাবে না। এর অর্থ, তিনি ইচ্ছা করলে তাঁর দাসের জীবন রক্ষা করতে পারেন। তিনি এত প্রত্যক্ষভাবে চালনা ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন যে, সেই পারিপার্শ্বিক ঘটনাতেও তাঁর দাস নির্ভয় থাকতে পারবে। শুধু এই আত্মবিশ্বাস ও নির্ভরতাতেই খ্রীস্টবিশ্বাসী ভয়ের কাছে মাথা নত না-করে বহু বিপজ্জনক স্থানে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে। “ঈশ্বর আমাদের সুরক্ষিত আশ্রয়, আমাদের শক্তি ও সঙ্কটকালে পরম সহায়। সাহায্যদানে তিনি সদা তৎপর। যদি পৃথিবী পরিবর্তিত হয়, যদি সাগরগর্ভে উৎপাটিত হয় পর্বতশ্রেণীর ভিত্তি ..... তবুও আমরা ভয়ে হব না বিহ্বল” (গীত ৪৬ : ১-৩)।

    ঈশ্বরের তত্ত্বাবধানমূলক কর্ম সম্পর্কে বাইবেল আরও বিশদভাবে কী শিক্ষা দেয়, আমরা তা চিন্তা করে দেখি। 

(১) প্রকৃতির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ (আমরা যা বলে থাকি) সম্পর্কে শাস্ত্র কী শিক্ষা দেয়, সে-বিষয়ে আমরা লক্ষ করি। তারই নির্দেশে ভালাে-মন্দ নির্বিশেষে সকল মানুষকে সূর্য আলােক দান করে এবং ধার্মিক-অধামিকি সকলের উপরেই বৃষ্টি বর্ষিত হয়" (মথি ৫:৪৫)। তিনি পশুদের জন্য তৃণ উৎপন্ন করেন এবং মানুষের সেবার জন্য ভেষজ উৎপন্ন করেন; যেন এইভাৱে ভূমি খাদ্য উৎপন্ন করে” (গীত ১০৪ : ১৪)। এবং “ঈশ্বরের নিঃশ্বাসে জল জমে যায়, পরিণত হয় কঠিন বরফের স্তুপে। ... তাঁরই পরিচালনায় তারা আকাশে ভেসে বেড়ায়, জগতের সর্বত্র তারা তাঁরই নির্দেশ পালন করে" (ইয়ােব ৩৭:১০, ১২)। আমাদের প্রায়ই মনে হয়, এ সমস্ত আকস্মিক” বা “যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ঘটে। কিন্তু বাইবেল বলে, সেগুলির উপর ঈশ্বরের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আছে। 

(২) আরও লক্ষ করুন, পৃথিবীতে বসবাসকারী মানবজাতি সম্পর্কে ঈশ্বর কী বলেন। কতবারই আমাদের মনে হয়, তারা নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তারা অপ্রত্যাশিত কাজ করে বসে, যেমন হঠাৎ যুদ্ধাভিযানে বেরিয়ে পড়ে। কিন্তু বাইবেল বলে, "... সর্বাধিপতি প্রভু পরমেশ্বরই জগতের সমস্ত রাজ্যের প্রকৃত অধিপতি” (দানিয়েল ৪:২৫)। “ষড় ঋতু তাঁর কথা মেনে চলে, কাল আবর্তিত হয় তাঁরই ইঙ্গিতে, নৃপতিরা আসে যায় তাঁরই ইঙ্গিতে" (দানিয়েল ২:২১)। তাই, যখন কোনাে ঘটনা ঘটে, তার মধ্যে কোনাে আকস্মিকতা নেই। “দৈব” বা “ভাগ্য’ মানব ইতিহাসের চাকাকে ঘােরায় না। প্রভুই “নির্দিষ্ট করে দিলেন তাদের ঐতিহাসিক স্থান ও কালের সীমা” (প্রেরিত ১৭:২৬)। 

(৩) এমনকী, আমরা বাইবেলে দেখতে পাই যে, জগতের প্রত্যেকটি বিষয়ের উপর ঈশ্বর পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখেন। “প্রভুই সংহারকর্তা, প্রভুই জীবনদাতা, তিনি পাতালে নামান, তিনিই ঊর্ধ্বে উঠান।... ধূলিশয্যা থেকে দীনকে, আবর্জনা স্তূপ থেকে দরিদ্রকে তিনিই তুলে আনেন, তাদের অভিজাতকুলে আসন দেন, এবং তারা মর্যাদার আসনে অধিকার পায়। প্রভু পৃথিবীর স্তম্ভরাজির অধিকর্তা, এবং তিনি তাদের উপরেই জগৎ স্থাপন করেছেন” (১শমূ ২ : ৬-৮)। ছােট্ট চড়ুই পাখির জীবন ও মৃত্যু যেমন ঈশ্বরের তত্ত্বাবধানের উপর নির্ভর করে, তেমনই সর্ববিষয়ে মানুষও ঈশ্বরের উপর নির্ভর করে। পৃথিবীতে মানুষের আয়ুষ্কালের মতােই প্রভু তার মাথার চুলও গণনা করে রেখেছেন। 

(৪) সবশেষে, আমাদের উপলব্ধি করতে হবে যে, ঈশ্বর মানুষের স্বাধীন ক্রিয়ার উপরও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখেন। আমরা একথা জানি, কারণ বাইবেল বলে, “মানুষ মনে মনে অনেক পরিকল্পনাই করতে পারে, কিন্তু প্রভুই দেন তার ভাষার জিহ্বার উত্তর” (হিতােপদেশ ১৬ : ১)। প্রেরিতশিষ্য খ্রীস্টবিশ্বাসীর উদ্দেশে বলেছেন, “তােমাদের ইচ্ছা ও কর্ম যাতে তাঁর মনােমত হয় তার জন্য ঈশ্বরই তােমাদের অন্তরে প্রেরণা জোগাচ্ছেন” (ফিলিপীয় ২:১৩)। কোনও মানুষ যখন মনে মনে কী করবে, কী বলবে চিন্তা করে, সে উপলব্ধি না-ও করতে পারে যে, ঈশ্বরও তার সঙ্গে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। কিন্তু সেটাই ঘটনা। অবিশ্বাসীদের ক্ষেত্রেও এ কথা প্রযােজ্য। কারণ মানুষের ক্রোধ তােমার স্তব করবে। এবং তুমি ক্রোধের অবশেষ দ্বারা কটিবন্ধন করবে (গীত ৭৬:১০)। 'প্রশ্নোত্তর ’ যখন বলে, ঈশ্বর “তাঁর সমস্ত প্রাণী ও তাদের সমস্ত সক্রিয়তার উপর শাসন" করেন, তখন তিনি এই অর্থই করতে চান। 


সাধারণ আপত্তি 


    এমন বহু লােকই আছেন যারা খ্রীস্টবিশ্বাসী হতে চান, তবু তাঁরা ঈশ্বরের সর্ববিষয়ের উপর ঈশ্বরের পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণের মতবাদে আপত্তি জানান। তাঁরা বিশ্বাস করতে চান যে, ঈশ্বর সাধারণভাবেই যেকোনো প্রকারে জগৎকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। তাঁরা বিশ্বাস করতে চান যে, ঈশ্বর 'সকল কিছুর' উপর নিয়ন্ত্রণ করেন। কিন্তু তাঁরা স্বীকার করতে চান না যে, “ক্ষুদ্র পুঙ্খনুপুঙ্খ" বিষয়গুলিও তিনি নিয়ন্ত্রণ করেন।  তারা স্বীকার করতে চান না যে, “বৃহৎ বিষয়ের মতাে ক্ষুদ্র বিষয়গুলিও তিনি স্থির করেন। এই দৃষ্টিভঙ্গির উত্তর দিতে গিয়ে আমাদের একটি সুপরিচিত কাহিনী মনে পড়ছে। কাহিনীটি এইরকম: “সেনাপতির অভাবে সেনাবাহিনীর পরাজয় ঘটল। ঘােড়ার অভাবে সেনাপতির বিলম্ব হল। খুরের নালের অভাবে ঘােড়া পাওয়া গেল না। একটি পেরেকের অভাবে ঘােড়াকে নাল পরানাে গেল না।" অন্যভাবে বলতে পারি, “বৃহৎ বিষয়গুলি" প্রকৃতপক্ষে “ক্ষুদ্র বিষয়ের" উপর নির্ভর করে। ক্ষুদ্র বিষয়গুলি নিয়ন্ত্রিত না-হলে, বৃহৎ বিষয়গুলিও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। কিন্তু লােকেরা যখন সকল বিষয়ের উপর ঈশ্বরের নিয়ন্ত্রণের কথা চিন্তা করে, তারা প্রকৃত অসুবিধার সম্মুখীন হয়। আপত্তি ওঠে, “আমার সমস্ত কাজে যদি ঈশ্বর নিয়ন্ত্রণ করেন, তাহলে আমার কর্মের জন্য আমাকে কীভাবে দোষারােপ করা যেতে পারে?” অথবা, অন্যভাবে বলা যেতে পারে, এই মতবাদের কি এ-ই অর্থ নয় যে, লােকেরা যা করে, তার জন্য তারা দায়ী নয়? এর উত্তরে, আমরা শুধু একটা কথাই বলতে পারি: আমাদের সমস্ত কাজ ঈশ্বর কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন, তা যদিও আমরা বুঝতে পারি না। তবুও আমাদের সমস্ত কাজের জন্য আমরা নিজেরা দায়ী। এই সত্য ব্যাখ্যা করার মতাে আমাদের সামনে কোনও পথের নির্দেশ নেই। কিন্তু এ যে সত্য, সেটা জানাই আমাদের কাছে যথেষ্ট। বাইবেল দুটি বিষয়ই আমাদের শিক্ষা দেয় – এ জানা আমাদের পক্ষে যথেষ্ট। বাইবেল থেকে আমরা জানি যে, আমরা দায়ী। বাইবেল থেকে আমরা জানি যে, প্রকৃত স্বাধীনতার সঙ্গে (অর্থাৎ বাইরের কোন শক্তির দ্বারা আমরা বলপূর্বক করতে বাধ্য হচ্ছি না) কাজ করি। এবং এই একই বাইবেল থেকে আমরা এ কথাও জানি যে, ঈশ্বর আমাদের নিয়ন্ত্রণ করেন; আমরা যা করি, তা তিনিও স্থির করেন। তাই, আমরা ব্যাখ্যা করতে পারি না বলে নয়, বাইবেলের শিক্ষা বলেই আমরা এই শিক্ষাকে গ্রহণ করি। 

    বাইবেল ঈশ্বরের বাক্য – এর অন্যতম জোরাল একটি প্রমাণ হল, বাইবেল এই ধরনের মতবাদকে শিক্ষা দেয়। “প্রভু পরমেশ্বরের কার্যসকল মহৎ, যারা তাঁর কার্য দেখে আনন্দিত হয়, তারাই জানতে চায়, এ কার্যের প্রকৃত মর্ম” (গীত. ১১১ : ২)। বাইবেলে প্রকাশিত সবকিছু যদি আমরা উপলব্ধি করতে পারি, তবে সেটাই একমাত্র প্রমাণ হবে যে, বাইবেল ঈশ্বরের সত্য নয়। আমরা জানি, এ ঈশ্বরের নিখুঁত চিত্র, কারণ এখানে তাঁর মহত্ত্ব প্রকাশিত হয়েছে। আমরা তাঁকে বিশ্বাস করি, তাঁর উপর আস্থা স্থাপন করি, কারণ তিনি আমাদের জিজ্ঞাসা বা চিন্তার অতীত অনেক বেশি কিছু করতে পারেন! এ খ্রীস্টীয় বিশ্বাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। ঈশ্বর যদি সত্যিসত্যিই সমস্ত বিষয়কে নিয়ন্ত্রণ করেন – এমনকী দুষ্ট লােকদের কাজকেও (অবশ্য, ঈশ্বর পাপের কর্তা নন – তিনি একে নিয়ন্ত্রণ করেন, কিন্তু তিনি এর স্রষ্টা নন) – তা হলে, বিশ্বাসীদের নির্ভরতা এর মধ্যে: “যারা ঈশ্বরকে ভালােবাসে, যারা তার অভিপ্রায় অনুসারে আহূত, সমস্ত পরিস্থিতিতেই ঈশ্বর তাদের কল্যাণসাধন করেন” (রােমীয় ৮:২৮)। যে খ্রীস্টবিশ্বাসী সমস্ত প্রাণীর উপর ঈশ্বরের তত্ত্বাবধান ও তাদের কার্যের উপর তাঁর নিয়ন্ত্রণকে বিশ্বাস করেন, তিনি বজ্রপাতের নির্ঘোষে ভীত হবেন না এবং বিপদের মাঝে ভয়ে শঙ্কিত হবেন না। তিনি জানবেন, তাঁর এবং সমগ্র জগতের শেযগতি পিতারই হাতে। তিনি জানবেন, তাঁর জীবনে পিতার পরিকল্পনাকে রূপায়িত না-করা পর্যন্ত কোন দুর্ঘটনাই তাঁকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে পারবে না। অসুস্থতা, বিপদ, বা নিপীড়ন এলে তিনি জানবেন যে, এও তার সঙ্গে ঈশ্বরের আচরণের একটি অঙ্গ।

Post a Comment

0 Comments